Breaking News

অনলাইনে নিরাপদ থাকার ১০ টি উপায়...

আজকে কথা বলবো কিভাবে অনলাইনে নিজেকে নিরাপদ রাখা যায় বর্তমান সময়ে উন্নয়ন হয়ে গেছে আমাদের জীবনে একটি অংশ আমরা যে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কাজে অনলাইন ব্যবহার করি এখন শুধু অনলাইনে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নয় আমাদের ব্যাংক একাউন্ট থেকে শুরু করে অনেক কিছুই থেকে যায় অনলাইনে এই অনলাইন যেভাবে আমাদের থাকতে হবে খুবই নিরাপদ কারণ না হয়ে যেতে পারে অনেক বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ এখানে থাকে আমাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পাসওয়ার্ড থেকে শুরু করে জীবনের প্রত্যেকটা মুহূর্তের কিছু খুঁটিনাটি বিষয় অন্য মানুষ দেখে ফেললে সমস্যা হওয়াটাই স্বাভাবিক সেখান থেকে তারা অনেক ধরনের সমস্যা করতে পারে সেটা হতে পারে ব্যক্তি জীবনে সেটা হতে পারে পারিবারিক জীবনে সেটা হতে পারে সামাজিক জীবনে তাই সে দিক বিবেচনা করেই আজকের আর্টিকেলটি লেখা হয়েছে বর্তমান সময়ে আমরা শুনতে পারি ভাইরাসের মাধ্যমে আমাদের কম্পিউটার কে হ্যাক করা হয় যার মাধ্যমে আমাদের ফোনে কথা থেকে শুরু করে যাবতীয় সকল তথ্য তারা পেয়ে যায় আর এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে আমাদের কোথা থেকে শুরু করে সকল দত্ত বলেন আমরা যেখানে যাই যাই করি না কেন তাদের কাছে চলে যাবে। আজকের নিরাপত্তা টেকনিক সাধারণভাবে আপনি অনলাইন থেকে নিরাপদ থাকবেন।



 

শক্তিশালী পাসওয়ার্ড

অনলাইন দুনিয়ায় পাসওয়ার্ড হচ্ছে আপনার দলিল আপনার সম্পদ অর্থাৎ আপনার পাসওয়ার্ড যদি ঠিক না থাকে তবে আপনার জন্য  অনলাইন দুনিয়ায় যেকোন সময়  বিপদে পড়তে পারেন। তাই পাসওয়ার্ডটি হচ্ছে আপনার মূল হাতিয়ার।  যদি আপনার পাসওয়ার্ডটি সঠিকভাবে না হয়ে থাকে তবে আপনি যে কোন সময় হ্যাক হয়ে যেতে পারেন অর্থাৎ আপনার সকল তথ্য অন্যকারো কাছে চলে যেতে পারে এজন্য আপনাকে অনলাইনে একটি সঠিক মজবুত এবং শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দিতে হবে যার মাধ্যমে আপনি অনলাইনে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে নিরাপদ থাকতে পারবেন। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করার একটি উদাহরণ দেওয়া হলো এর মাধ্যমে আপনি এই অনুযায়ী আপনার নিজের জন্য একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করে নিতে পারবেন। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড “W#12Ter@fT4”এখানে দেখতে পাচ্ছেন বড় হাতের অক্ষর আছে তেমনি ভাবে ছোট হাতের অক্ষর আছে কিছু সংখ্যা আছে কিছু এক্সক্লামাটরি সেন্তেন্স আছে এর মাধ্যমে আমরা একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করতে পারি। সেটা হতে পারে যেকোন পাসওয়ার্ড। আপনার নাম দিয়ে নামের ভিতরে এমন কিছু অক্ষর দিয়ে ভিতরে দেওয়াটাই ভালো হবে যার মাধ্যমে আপনার পাসওয়ার্ডটি থাকবে একদম সুরক্ষিত এবং কখনোই আপনি আপনার পাসওয়ার্ড এর ভিতরে আপনার মোবাইল নাম্বার, আপনার না্‌ আপনার ইমেইল আইডি, দিবেন না। কারন এগুলো সবাই জেনে যায়। এগুলো মানুষ কমন পাসওয়ার্ড তাই এগুলো থেকে বিরত থাকুন।

 

লগ ইন, লগ আউট

বর্তমান সময়ে আমরা ফেসবুক বা ইমেইল একাউন্ট যেকোনো কম্পিউটার বা মোবাইলে সেটা হোক অফিস বা বাসায় আমরা লগইন করে আমাদের ফেসবুক অথবা গুগল একাউন্ট চালাই। কিন্তু এটা সঠিক নয় আপনারা বলতে পারেন সমস্যা কি এটা আবার আমরা লগ আউট করে দিই। কিন্তু লগ আউট করলেও অনেক সময় এটা লগ আউট হয় না কারন আপনার পাসওয়ার্ডটা সেই ল্যাপটপ বা মোবাইল সেভ করে রেখে দেয়। পরবর্তীতে যখন সেই ল্যাপটপ বা মোবাইলে পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে পারে। তাই আপনি লগইন করার আগে অবশ্যই ভেবে নেবেন। আমি অবশ্যই নিরাপত্তা ডিভাইস ছাড়া অন্য কোন জায়গায় লগ ইন করবেন না। কারণে সেই ডিভাইসে  ভাইরাস থাকতে পারে যার মাধ্যমে আপনার ইমেইল অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে যেতে পারে। তাই আপনার এ থেকে বিরত থাকাটাই উত্তম।

 

লিংকে ক্লিক করার আগে 

বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অফারের লিংক এসে থাকে যেমন কোকা কোলা অফার দিচ্ছে, আপনি যদি এখানে একটা ফর্ম ফিলাপ করেন তাহলে 1000 টাকা 2000 টাকা এবং এরকম লোভনীয় অফার এর কারণে আমরা সেখানে আমরা তথ্য জমা করে দিছি সেখানে আমাদের ইমেইল পাসওয়ার্ড চাইবে, পাসওয়ার্ড চাইবে, এগুলা দিয়ে তারপর তারা বিভিন্ন কোম্পানির কাছে আমাদের তথ্য গুলো বেঁচে দেব এবং তারা সেখান থেকে ব্যবসা করে। কিন্তু আমরা সেটা বুঝতে পারি না। আমরা তো টাকার জন্যই বসে থাকে আর টাকা তো আসে নাই এটাই হচ্ছে আসল বিষয়। এছাড়াও আরো বিভিন্ন বিভিন্ন লিংকের মাধ্যমে আমাদের সম্পূর্ণ ফোনটাকেই হ্যাক করে ফেলতে পারে. তাই আপনার ফোনে যেকোনো অফার বা যেকোন তথ্যের জন্য যদি আপনাকে লিঙ্ক দেওয়া হয়। সেটা যদি আপনার অচেনা হয়ে থাকে,   তাহলে আপনি আগে ইউটিউবে ফেসবুকে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন এটা কি ফেইক নাকি আসল। ইউটিউবে সার্চ দিলে সকল তথ্য পেয়ে যাবেন এবং তারপর আপনি বুঝে শুনে সেই লিঙ্কে ক্লিক করতে পারেন এ ছাড়া কোনভাবেই ক্লিক করা ঠিক হবে না কারণ এটা হ্যাক করে ফেলবেন আপনার সকল তথ্য।

 

সেইভ পাসওয়ার্ড 

 আমরা বর্তমান সময়ে একটা অপশন দেখে করি বা যেকোনো জায়গায় আমাদের ফেসবুক ইউটিউব লগইন করার সময় আমরা দেখতে পাই সেইভ পাসওয়ার্ড নামে একটি অপশন এবং আমার সাথে সাথেই সেটা সেভ করে দিয়, এটা করাটা বোকামি। বিশেষ করে গুগল এর পাসওয়ার্ড এবং ফেসবুক এর পাসওয়ার্ড সেভ করা ঠিক নয়। কারণ আপনার ডিভাইস অন্য কারও হাতে চলে গেলেন সেখান থেকে তারা আপনার পাসওয়ার্ড  দেখে ফেলতে পারবেন, তাইএটা করা ঠিক না। যদি না আপনার ডিভাইস টা একদম সুরক্ষিত থাকে অর্থাৎ যদি আপনার ডিভাইস সম্পূর্ণরূপে যদি নিরাপদ থাকে তবে পাসওয়ার্ড সেইভ করতে পারেন। এছাড়া এটা করাটা ঠিক নয় কারণ এর মাধ্যমে আপনার পাসওয়ার্ড অন্যকারো কাছে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।

 

একই পাসওয়ার্ড

আমি উপরে যে পাসওয়ার্ডটা strong পাসওয়ার্ড দিলাম। আপনি এরকম একটা শক্তিশালী পাসওয়ার্ড বানিয়ে। সেটা সব জায়গায় দিবেন না এটা একটা একাউন্ট এর জন্যই বানিয়ে রাখবেন। অন্যগুলোর জন্য অন্যান্য আরো অনেকগুলো বানাবেন। একটি পাসওয়ার্ড সব জায়গায় দিবেন না এতে করে সমস্যা হয়ে যাবে কারণ আপনি যদি একই পাসওয়ার্ড সব জায়গায় ব্যবহার করেন। তবে আপনার একটি পাসওয়ার্ড কেউ যদি পেয়ে যায় তবে অন্য গুলো পেয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। তাই এই কারণে আপনাকে বলব একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন যেমন ফেসবুকে যে পাসওয়ার্ড দেবেন গুগল একাউন্টের সেই পাসওয়ার্ড দিবেন না এবং গুগল একাউন্টে যেই পাসওয়ার্ড দিবেন সেটা অন্য সকল জায়গায় দিবেন না।

 

পাসওয়ার্ড পরিবর্তন 

 প্রতিমাসে  একবার করে হলেও পাসওয়ার্ড পাল্টাবেন এবং প্রতিনিয়ত আপনার ই-মেইল চেক করবেন আমি কি আপনার আইডি লগইন করছে কিনা যেটা আপনার ই-মেইলের মাধ্যমে চলে আসবে। আপনার উচিত হবে প্রতি মাসে একবার করে হলেও আপনার পাসওয়ার্ডটি চেঞ্জ করা। আর প্রতিমাসে যদি আপনি সম্ভব না হয় তবে আপনি প্রতি দুই মাস পর পর হলেও একবার চেঞ্জ করার চেষ্টা করবেন এতে করে আপনার পাসওয়ার্ড আরো সুরক্ষিত থাকবে এবং আপনি অনলাইনে একদম নিরাপদ থাকবেন বলে আমি মনে করি।

 

 টু স্টেপ ভেরিফিকেশন

 টু স্টেপ ভেরিফিকেশন এটা হচ্ছে গুগল এবং ফেসবুকে দেওয়ার জন্য এটা খুব জনপ্রিয় এটা গুগল এবং ফেসবুকে ব্যবহার করা যায় এর মাধ্যমে আপনার পাসওয়ার্ড এবং আপনার নাম্বার, ইমেইল দেওয়ার পরও লগইন করার আগে আপনার নাম্বারে একটি কোড আসবে যে কোডটি না দিতে পারলে আপনার ফেসবুক বা ইমেইল একাউন্ট লগইন হবে না। তাই আপনারা এটা করে রাখলে আপনার পাসওয়ার্ডটা জেনে গেলেও। আপনি খুব দ্রুতই আপনার পাসওয়ার্ডটি পরিবর্তন করে ফেলার সময় পাবেন এবং আপনি তাকে ধরে ফেলতে পাবেন। এজন্য আপনারা এই স্ট্যাটাসটি ফলো করতে পারবেন

গুগলের জন্য:প্রথমে গুগল সেটিংস এ যাবেন তারপরে নিরাপত্তা অপশন এ ক্লিক করে আপনি 2-step ভেরিফিকেশন করে নিতে পারবেন

ফেসবুকের জন্য:প্রথমে আপনার ফেসবুক সেটিং হয়ে যাবেন তারপর সিকিউরিটি লগইন অপশন এ ক্লিক করবেন এবং তারপর টু স্টেপ ভেরিফিকেশন করে নিবেন

*বিষয়টা বুঝতে সমস্যা হলে আপনি ইউটিউবে সার্চ করলেই ভিডিও পেয়ে যাবেন সেখান থেকে দেখে নিবেন।

 

সাইটে লগইন

বিভিন্ন সাইটে আপনার ফেইসবুক এবং ইমেইল পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করার আগে দেখে নিবেন সেই সাইটা কতটা জনপ্রিয় এবং নিরাপদ এবং তারপরই আপনার সেই সাইটে গুগল এবং ফেসবুক দিয়ে লগইন করবেন এছাড়া অন্য কোন সাইটে গুগল ফেসবুক দিয়ে লগইন করবেন না কারণ এছাড়া সাইটগুলো হয়ে থাকতে পারে আপনার হ্যাকিং সাইট তাই সাইটগুলোতে লগইন করার আগে ইউটিউবে দেখে নিয়ে আসবেন সে সম্পর্কে তারপরই আপনি ঢুকবেন।

 

ব্লগ সাইট 

এমন কোন সাইটে ঢুকবেন না যেখানে ভিপিএন দিতে হয় সেই সকল সাইট থেকে বিরত থাকুন কারণ সেই সকল সাইট হ্যাকিং সাইট হয়ে থাকে তাই এসব ওয়েবসাইটে কখন ঢুকবেন না এবং এরকম যে সকল অ্যাপ আছে সেগুলাতে অনুপ্রবেশ করবেন না কারণ এখান থেকে আপনার ইমেইল পাসওয়ার্ড চুরির ঘটনা ঘটতে পারে তাই এখান থেকে নিরাপদ থাকার জন্য যেতে হবে সকল সাইট থেকে দূরে থাকা তাই এসব সাইটে ঢুকবেন না।

 

ইমেইল এবং মোবাইল নাম্বার শেয়ার করবেন না

Facebook-YouTube বা ক্রমে যদি কেউ আপনাকে আপনার ইমেইলের পাসওয়ার্ড দিতে বলে। এবং এজন্য আপনাকে কিছু টাকা দিবে বা আপনার কিছু উপকার করবে, তা বিভিন্ন কাজ দিবে সেজন্য যদি আপনাকে ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড দিতে বলে তাহলে তা থেকে বিরত থাকবেন এবং তারপর বলছি ইমেইল দেওয়া নিয়ে সবার কাছে ইমেইল দিলেন না। নিরাপদ এবং সঠিক মানুষের কাছেই দিতে পারেন এছাড়া সবার কাছে দেওটা ঠিক না এটা হচ্ছে আপনার প্রাইভেসি। এবং আপনার ফেসবুকে যে মোবাইল নাম্বার পাসওয়ার্ড দিয়ে ফেসবুক খোলা সে নাম্বার তো কারো কাছে শেয়ার করবেন না তাই  মোবাইল নাম্বার এবং ইমেইল  থেকে বিরত থাকুন। 

 

যেকোন সমস্যার সমাধানের জন্যঃ

উপরোক্ত বিষয়গুলো নিয়ে আপনাদের কোন মন্তব্য বা তথ্য থাকলে আমাদেরকে জানাতে পারেন কমেন্ট বক্সে আপনাদের জন্য খালি রয়েছে এবং ভুল ত্রুটি হলে অবশ্যই ক্ষমা করবেন আপনার যেকোনো সমস্যার সমাধানের জন্য আমরা তো আছেই যেকোনো সমস্যা এবং সমাধানের জন্য কমেন্ট বক্সে প্রশ্ন করতে পারেন আমি সাথে সাথে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো। এছাড়াও আমাদের সাথে ফেসবুক টুইটার ইউটিউবে যুক্ত হতে পারে ।



কোন মন্তব্য নেই